হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টাকালে ইরানের একাধিক ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।
ড্রোন ধ্বংস
ইরান যুদ্ধে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই অভিযানে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী তাদের দূরপাল্লার ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশই) হারিয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ।
রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে বড় ধরনের আকাশ হামলার চেষ্টা নস্যাৎ কররে দাবি করেছে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা বাহিনী।
রাশিয়ার ছোঁড়া ৭১টি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে ইউক্রেন। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনের বিমান বাহিনী এমন দাবি করেছে।
ইউক্রেনের ৩৬টি ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। শনিবার রাতভর রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেন এসব ড্রোন হামলা চালায়।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ২৮টি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করল আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্স। লোহিত সাগরের ইয়েমেন উপকূলে এসব ড্রোন ভূপাতিত করা হয়।
হামলা চালিয়ে হুথিদের উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত ১০টি ড্রোন ধ্বংস করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
৩২তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের পর ইউক্রেন রুশ ভূখণ্ডে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে ইউক্রেনের ৭৩টি ড্রোন হামলার প্রচেষ্টা রুখে দেয়ার দাবি করেছে রাশিয়া।
ক্রিমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেনের পাঠানো ৪২টি ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে রাশিয়া। শুক্রবার ভোরে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোনগুলো ধ্বংস করে। এটি ছিল এ পর্যন্ত ইউক্রেনের সর্বোচ্চ ড্রোনের হামলা।
এস্টোনিয়ার আকাশে বুধবার রুটিন টহল দিচ্ছিল একটি জার্মান এবং একটি যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান। অভিযোগ, আচমকাই একটি রাশিয়ার যুদ্ধবিমান এস্টোনিয়ার আকাশসীমার খুব কাছে চলে আসে। ঠিক তখনই জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের বিমান রাশিয়ার বিমানকে তাড়া করতে শুরু করে। তবে কোনো বিমানেরই কোনো ক্ষতি হয়নি।